ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৪, ৩ কার্তিক ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ: শর্ত বাস্তবায়নে বিশেষ ছাড়

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩ ২০ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশকে দেওয়া ঋণের শর্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে। এর মধ্যে তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণের পরিমাণ কমাচ্ছে, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে আরও সময় দিচ্ছে। এছাড়া ঋণের সুদ হার বাজারভিত্তিক করা, রাজস্ব আয় বাড়ানো, কর ছাড় কমানোর ক্ষেত্রে নতুন সময় বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে। এ বিষয়ে ঢাকা সফররত আইএমএফ মিশন আজ বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে শেষ বৈঠক করবে। এরপর দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে কোন খাতে কেমন ছাড় দেবে সেগুলো চূড়ান্ত করবে।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে আইএমএফ বাংলাদেশের অনুকূলে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করে। ওই মাসের শুরুর দিকেই বাংলাদেশকে ঋণের প্রথম কিস্তি বাবদ ৪৭ কোটি ডলার ছাড় করে। আগামী নভেম্বরে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ ছাড় করার কথা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই আইএমএফের একটি মিশন বর্তমানে বাংলাদেশ সফর করছে। তারা ঋণের শর্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করছে। গত ৪ অক্টোবর থেকে মিশনটি কাজ শুরু করেছে। আজ বৃহস্পতিবার শেষ হবে। তারা ওয়াশিংটনে ফিরে গিয়ে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে পর্ষদের কাছে। পর্ষদ এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে ঋণের শর্ত বাস্তবায়ন না করায় শ্রীলংকার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ স্থগিত করেছে আইএমএফ। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় কিস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিপত্রের ভারসাম্য রক্ষার জন্য ঋণ নিচ্ছে। এতে বর্তমানে ঘাটতি রয়েছে। আইএমএফ এ খাতে ভারসাম্য রক্ষার জন্য ঋণ দিয়ে থাকে। এছাড়া এ অঞ্চলে বাংলাদেশই প্রথম আইএমএফের নবগঠিত জলবায়ু তহবিল থেকে ঋণ পেয়েছে। ফলে বাংলাদেশের ঋণ স্থগিত করলে আইএমএফের ওই তহবিলের ঋণের বিষয়ে অন্য দেশগুলোর আগ্রহ কমবে।

সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আইএমএফের বৈঠকে গভর্নর উপস্থিত থাকবেন। ওই বৈঠকেই রিজার্ভ, বিনিময় হার ও সুদের হার এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। এরপর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অন্য বিষয়গুলো চূড়ান্ত হবে। বিষয়টি নিয়ে বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা একাধিক বৈঠক করেছেন। ওইসব বৈঠকে তারা রিজার্ভ কম রাখা, বিনিময় হার কবে নাগাদ বাজারের ওপর ছেড়ে দিতে পারবে, রিজার্ভের নিট হিসাব পুরোপুরিভাবে কবে নাগাদ বাস্তবায়ন করা হবে-এসব ঠিক করেছে। এর আলোকে বৈঠকে আইএমএফকে জানানো হবে।

সূত্র জানায়, ঋণ দেওয়ার সময় আইএমএফ স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে বাস্তবায়নের বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে। গত জুলাই পর্যন্ত ১৪টি শর্ত বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। কিন্তু শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ২টি। বাকি ১২টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে।

আইএমএফের এই মিশন গত জুন ও জুলাইয়ের মধ্যে যেসব শর্ত বাস্তবায়নের কথা ছিল সেগুলোর অগ্রগতি ও আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে যেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে সেগুলোর ব্যাপারে নেওয়া পদক্ষেপ পর্যালোচনা করেছে। এছাড়া স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি শর্তগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াও পর্যবেক্ষণ করছে।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের ১৭টি মৌলিক শর্ত বাস্তবায়ন করার কথা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে ১১টি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল জুনের মধ্যে, ৩টি জুলাইয়ের মধ্যে এবং বাকি ৩টি ডিসেম্বরের মধ্যে। আরও ৫টি শর্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ জুলাইয়ে শুরু করতে হবে। আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে।

শর্ত অনুযায়ী গত জুনের মধ্যে জিডিপির আকারের মধ্যে রাজস্ব আয় দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিল। ইতোমধ্যে সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে। এটি শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। গত জুনের মধ্যেই ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ নবায়নসহ মোট খেলাপি ঋণের চিত্র বার্ষিক আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদনে প্রকাশ করার একটি শর্ত ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি প্রকাশ করা সম্ভব না হলেও গত আগস্টের মাঝামাঝি কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা প্রকাশ করেছে।

আইএমএফের এবারের মিশনের বড় আপত্তি হচ্ছে রিজার্ভের নিট হিসাব এখনও আন্তর্জাতিক মানের হয়নি। এটি আন্তর্জাতিক মানে করতে হবে। ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারভিত্তিক করতে হবে। এটিও করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে আইএমএফ আরও সময় দেবে।

আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী, জ্বালানি তেলের দাম বাজারভিত্তিক করাও সম্ভব হয়নি। এটিতেও তারা জোর দিয়েছে।

আইএমএফ গত জুনের মধ্যে দেশের গ্রস রিজার্ভ ২ হাজার ৯৯৬ কোটি ডলারে ও নিট রিজার্ভ ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলার রাখার কথা বলেছিল। কিন্তু রিজার্ভ ওই মাত্রায় ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে গ্রস ২ হাজার ৬৮৫ কোটি ডলারে ও নিট রিজার্ভ ২ হাজার ১০৭ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রস রিজার্ভ ৩ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করার কথা। আগামী জুনের মধ্যে তা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৪২০ কোটি ডলারে উন্নীত করতে হবে। কিন্তু এটি সম্ভব হচ্ছে না। যে কারণে রিজার্ভ সংরক্ষণের শর্ত শিথিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সারাবেলার সংবাদ/ এমএএইচ/ ১৯ অক্টোবর ২০২৩

Facebook Comments Box
ট্যাগস :

আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ: শর্ত বাস্তবায়নে বিশেষ ছাড়

আপডেট সময় : ১২:০৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশকে দেওয়া ঋণের শর্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে। এর মধ্যে তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণের পরিমাণ কমাচ্ছে, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে আরও সময় দিচ্ছে। এছাড়া ঋণের সুদ হার বাজারভিত্তিক করা, রাজস্ব আয় বাড়ানো, কর ছাড় কমানোর ক্ষেত্রে নতুন সময় বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে। এ বিষয়ে ঢাকা সফররত আইএমএফ মিশন আজ বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে শেষ বৈঠক করবে। এরপর দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে কোন খাতে কেমন ছাড় দেবে সেগুলো চূড়ান্ত করবে।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে আইএমএফ বাংলাদেশের অনুকূলে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করে। ওই মাসের শুরুর দিকেই বাংলাদেশকে ঋণের প্রথম কিস্তি বাবদ ৪৭ কোটি ডলার ছাড় করে। আগামী নভেম্বরে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ ছাড় করার কথা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই আইএমএফের একটি মিশন বর্তমানে বাংলাদেশ সফর করছে। তারা ঋণের শর্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করছে। গত ৪ অক্টোবর থেকে মিশনটি কাজ শুরু করেছে। আজ বৃহস্পতিবার শেষ হবে। তারা ওয়াশিংটনে ফিরে গিয়ে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে পর্ষদের কাছে। পর্ষদ এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে ঋণের শর্ত বাস্তবায়ন না করায় শ্রীলংকার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ স্থগিত করেছে আইএমএফ। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় কিস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিপত্রের ভারসাম্য রক্ষার জন্য ঋণ নিচ্ছে। এতে বর্তমানে ঘাটতি রয়েছে। আইএমএফ এ খাতে ভারসাম্য রক্ষার জন্য ঋণ দিয়ে থাকে। এছাড়া এ অঞ্চলে বাংলাদেশই প্রথম আইএমএফের নবগঠিত জলবায়ু তহবিল থেকে ঋণ পেয়েছে। ফলে বাংলাদেশের ঋণ স্থগিত করলে আইএমএফের ওই তহবিলের ঋণের বিষয়ে অন্য দেশগুলোর আগ্রহ কমবে।

সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আইএমএফের বৈঠকে গভর্নর উপস্থিত থাকবেন। ওই বৈঠকেই রিজার্ভ, বিনিময় হার ও সুদের হার এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। এরপর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অন্য বিষয়গুলো চূড়ান্ত হবে। বিষয়টি নিয়ে বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা একাধিক বৈঠক করেছেন। ওইসব বৈঠকে তারা রিজার্ভ কম রাখা, বিনিময় হার কবে নাগাদ বাজারের ওপর ছেড়ে দিতে পারবে, রিজার্ভের নিট হিসাব পুরোপুরিভাবে কবে নাগাদ বাস্তবায়ন করা হবে-এসব ঠিক করেছে। এর আলোকে বৈঠকে আইএমএফকে জানানো হবে।

সূত্র জানায়, ঋণ দেওয়ার সময় আইএমএফ স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে বাস্তবায়নের বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে। গত জুলাই পর্যন্ত ১৪টি শর্ত বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। কিন্তু শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ২টি। বাকি ১২টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে।

আইএমএফের এই মিশন গত জুন ও জুলাইয়ের মধ্যে যেসব শর্ত বাস্তবায়নের কথা ছিল সেগুলোর অগ্রগতি ও আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে যেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে সেগুলোর ব্যাপারে নেওয়া পদক্ষেপ পর্যালোচনা করেছে। এছাড়া স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি শর্তগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াও পর্যবেক্ষণ করছে।

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের ১৭টি মৌলিক শর্ত বাস্তবায়ন করার কথা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে ১১টি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল জুনের মধ্যে, ৩টি জুলাইয়ের মধ্যে এবং বাকি ৩টি ডিসেম্বরের মধ্যে। আরও ৫টি শর্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ জুলাইয়ে শুরু করতে হবে। আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে।

শর্ত অনুযায়ী গত জুনের মধ্যে জিডিপির আকারের মধ্যে রাজস্ব আয় দশমিক ৫ শতাংশ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিল। ইতোমধ্যে সরকার এ পদক্ষেপ নিয়েছে। এটি শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। গত জুনের মধ্যেই ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ নবায়নসহ মোট খেলাপি ঋণের চিত্র বার্ষিক আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদনে প্রকাশ করার একটি শর্ত ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি প্রকাশ করা সম্ভব না হলেও গত আগস্টের মাঝামাঝি কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা প্রকাশ করেছে।

আইএমএফের এবারের মিশনের বড় আপত্তি হচ্ছে রিজার্ভের নিট হিসাব এখনও আন্তর্জাতিক মানের হয়নি। এটি আন্তর্জাতিক মানে করতে হবে। ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারভিত্তিক করতে হবে। এটিও করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে আইএমএফ আরও সময় দেবে।

আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী, জ্বালানি তেলের দাম বাজারভিত্তিক করাও সম্ভব হয়নি। এটিতেও তারা জোর দিয়েছে।

আইএমএফ গত জুনের মধ্যে দেশের গ্রস রিজার্ভ ২ হাজার ৯৯৬ কোটি ডলারে ও নিট রিজার্ভ ২ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলার রাখার কথা বলেছিল। কিন্তু রিজার্ভ ওই মাত্রায় ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে গ্রস ২ হাজার ৬৮৫ কোটি ডলারে ও নিট রিজার্ভ ২ হাজার ১০৭ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে গ্রস রিজার্ভ ৩ হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করার কথা। আগামী জুনের মধ্যে তা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৪২০ কোটি ডলারে উন্নীত করতে হবে। কিন্তু এটি সম্ভব হচ্ছে না। যে কারণে রিজার্ভ সংরক্ষণের শর্ত শিথিল করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সারাবেলার সংবাদ/ এমএএইচ/ ১৯ অক্টোবর ২০২৩

Facebook Comments Box